Page

Choose Your Language

Showing posts with label Amazing News. Show all posts
Showing posts with label Amazing News. Show all posts

Thursday, July 7, 2016

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কুকুর !!




একটি কুকুর সবোচ্চ কতটুকু দীর্ঘ হতে পারে। যে কারও চোখ কপালে উঠে যাবে বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘকায় কুকুর সম্পর্কে জানলে । ৪৪ ইঞ্চি দীর্ঘ এ কুকুরটির বাস যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে । তার মনিব আদর করে নাম রেখেছেন 'জিউস' । গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠিয়ে এরই মধ্যে অফিসিয়াল স্বীকৃতি অর্জন করে ফেলেছে জিউস ।
পেছনের পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ালে জিউস কোনো অংশে দীর্ঘকায় মানুষের চেয়ে কম যায় না । অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, জিউসের উচ্চতা সাত ফুট চার ইঞ্চি বা দুই দশমিক দুই মিটার!
কি বিশ্বাস হচ্ছে না?
না হওয়ারই কথা ।

এদিকে আরেক দৈত্যকায় আকারের কুকুর জায়ান্ট জর্জকে পেছনে ফেলেছে জিউস । জর্জের চেয়ে তার উচ্চতা এক ইঞ্চি বেশি । জিউসের মনিব ডেনিস ডুরল্যাগ তিন বছর ধরে কুকুরটির দেখাশোনা করছেন । তিনি বললেন, 'মানুষ একটি প্রশ্ন প্রায়ই করে । ও কি কুকুর না ঘোড়া? জিউস যদি কারও পায়ের ওপর দাঁড়ায় , তবে নির্ঘাত ক্ষতচিহ্ন ফেলবে সেখানে । আমরা যখন জিউসকে বাড়িতে এনেছিলাম , তখন তাকে পরিবহনে আলাদা একটি পিকআপ ট্রাক ভাড়া করতে হয়েছিল ।'
Read more ...

রোবটও পেল স্পর্শ অনূভুতি ।




প্রযুক্তির দিন দিন উন্নতি ঘটে চলেছে।আই.বি.এম তো ঘোষণা দিয়েছে পাঁচ বছরের মধ্যেই আমরা মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিন এর মাধ্যমে দূরের জিনিস ধরতে পারব।এই ভবিষ্যত বাণীটা ঠিক হওয়ার দিকে আমরা একধাপ কিন্তু এগিয়ে গেছি।বিজ্ঞানীরা যন্ত্রের মধ্যে বিভিন্ন বস্তুর স্পর্শ অনূভুতি জাগাতে সক্ষম হয়েছেন। এখানে যন্ত্রটি হল এক ধরনের মানুষের মত রোবট।ইউনিভার্সিটি অফ সাউর্দান ক্যালিফোর্নিয়া ভাইটারভি স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিজ্ঞানীরা এমনই একটি রোবর্ট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এ সম্বন্ধে একটি লেখা প্রকাশ করেছেন।তারা এই রোবটটির হাতে এক ধরনের বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করেছেন।এই সেন্সর এর গঠন অনেকটা মানুষের আঙুলের মত।এর উপরে বিশেষ ভাবে গঠিত চামড়া থাকে এবং তাতে তরল পদার্থের একটি স্তর ও থাকে। চামড়াতে একধরনের বিশেষ খাঁজ কাটা অংশ থাকে,অনেকটা আঙুলের রেখার মত।রোবটিক আঙুলটি যখন কোন বস্তুর উপর দিয়ে নেয়া হয়,তখন চাপের তফাত,উঁচু নিচু ইত্যাদির কারনে সেন্সরটি ভায়ব্রেশন উৎপন্ন করে।এই ভায়ব্রেশন আঙুলের মাঝখানে থাকা হাড়ের মত হাইড্রোফোনের কাছে পাঠানো হয়।সেখান থেকে ভায়ব্রেশন নিয়ে,রোবটটির কম্পিউটার তা পূর্বে অভিজ্ঞতা থেকে সঞ্চিত রাখা ভায়ব্রেশন এর সাথে তুলনা করে বস্তুটি চিহ্নিত করে।এখন এ আবিস্কারটি করার জন্য বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি হয়েছে তা হল একটি নতুন এলগরিদম আবিস্কার করা।মানুষ কোন বস্তু স্পর্শের সাহায্যে চেনার জন্য কিছু বিশেষ উপায় অবলম্বন করে।এ উপায়গুলো মানুষ তার পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিখে।এত দিন রোবটকে এসব উপায় শিখানোর কোন উপায় ছিলনা।তবে অবশেষে বিজ্ঞানীরা বিশেষ এলগরিদম আবিষ্কার করেছেন যার সাহায্যে রোবট এসব উপায় ব্যবহার করবে।বিজ্ঞানিরা তাদের উদ্ভাবিত রোবটকে মোট ১১৭টি বস্তু সম্বন্ধে জ্ঞান দিয়ে পরিক্ষা করেছেন।তাদের রোবটটি মোটামুটি ৯৫.৫% সময় ঠিকভাবে বস্তুগুলো আলাদা করতে পেরেছে,যখনই তাকে একসাথে কয়েকটি বস্তু দেয়া হয়েছিল।মজার বেপার হল রোবটটি এমন কিছু ক্ষেত্রে ধোঁকা খেয়েছে,যেগুলোও বস্তুগুলো খুবই কাছাকাছি।এত কাছাকাছি ধরনের বস্তু মানুষও সাধারনত স্পর্শের সাহায্যা আলাদা করতে পারেনা।অর্থাৎ এদের স্পর্শ অনূভুতি আমাদের চেয়েও ভাল।

Read more ...

Wednesday, July 6, 2016

থাইল্যান্ডের ভাসমান বাজার।







   EntertainmentAll Music  Eating Out Shopping  Movies  TV ShowsEntertainment হরেক রকম বাজারঃ থাইল্যান্ডের ভাসমান বাজারBy মেহেদী বাবু 7 Days agoSeen 16676Wow 13ShareBANGood Readভাসমান বাজার হচ্ছে এমন এক ধরণের বাজার যেখানে নৌকায় করে পণ্য নিয়ে আসা হয় এবং সেই নৌকায়ই সেসব পণ্য বিক্রি করা হয়। সাধারণত যেসব এলাকায় চলাচল বা পণ্য পরিবহণের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট নেই বরং অঞ্চলটি নদী, খাল ইত্যাদি জলাশয় বেষ্টিত সেসব এলাকাতেই ভাসমান বাজার বসে।ঠিক কবে থেকে বা ঠিক কোথায় প্রথম এরকম ভাসমান বাজারের সূচনা হয়েছিল সেটা জানা যায়নি। তবে প্রয়োজনের তাগিদেই যে এরকম বাজার সৃষ্টি হয়েছে সেটা মোটামুটিভাবে বলাই যায়। বর্তমানে ভাসমান বাজার শুধু পণ্য কেনাবেচার জন্যই নয়, আকর্ষণীয় পর্যটন স্থান হিসেবেও স্বীকৃতি পাচ্ছে এসব বাজার। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামেই ভাসমান বাজার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশের বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি এসব জায়গার বিভিন্ন স্থানেও বর্ষাকালে ভাসমান বাজার বসতে দেখা যায়।ভাসমান বাজার সবচেয়ে বেশি দেখা যায় থাইল্যান্ডে। আগেরকালে সাধারণত নদী কেন্দ্র করে লোকালয় গড়ে উঠত। থাইল্যান্ডেও নদীর আশেপাশে মানুষ বসতি স্থাপন করতে শুরু করে। এসব জায়গায় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হচ্ছে নদী এবং এ নদীকে ঘিরেই এখানকার অর্থনীতি আবর্তিত হয়। স্থানীয় এবং আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ব্যবসায়ীরা নৌকায় করেই তাদের পণ্য পরিবহন করে। এভাবেই থাইল্যান্ডের নদীপ্রধান অঞ্চলগুলোতে বিশেষ করে চাও ফ্রায়া নদীর আশেপাশে ভাসমান বাজার দেখা দিতে শুরু করে।এভাবেই থাইল্যান্ডে শত শত বছর ধরে ভাসমান বাজারের পসার বাড়তে থাকে। ১৪শ থেকে ১৮শ শতকের মধ্যে বাণিজ্যের জন্য ভাসমান বাজারের গুরুত্ব অনেকাংশে বৃদ্ধি পায় কেননা এই অঞ্চলে প্রচুর সংযুক্ত খাল-বিল ছিল। পরবর্তীতেও ভাসমান বাজারে ভীড় বাড়তে থাকে। কিন্তু ব্যাংকক শহরের গোড়াপত্তনের ফলে এখানে প্রচুর রাস্তাঘাট, রেলপথ, সেতু গড়ে উঠে। ফলে পণ্য পরিবহণের জন্য নদীপথের ব্যবহার কমতে থাকে।ভাসমান বাজারের প্রধান পণ্য হচ্ছে মৌসুমি ফল, শাকসবজি ও ফুল। এসব ফল, ফুল ও সবজি সাধারণত স্থানীয় বাগানেই উৎপাদিত হয়ে থাকে। নৌকায় করে এসব বেচাকেনা চলে। অনেক নৌকায় থাকে ভাসমান রেস্তোরাঁ। বিভিন্ন রকমের খাবার বিশেষ করে স্থানীয় প্রসিদ্ধ ডিস বিক্রি করা হয় এখানে। এছাড়াও কাপড়, হস্তশিল্প, রকমারি হ্যাট, কারুকাজ করা মোমবাতি, থাই সিল্ক, পেইন্টিং ইত্যাদি হরেক রকমের পণ্য বেচাকেনা হয়ে থাকে থাইল্যান্ডের ভাসমান বাজারে।থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ভাসমান বাজার হচ্ছে Damnoen Saduak floating market । এছাড়াও থাইল্যান্ডের আরও কয়েকটি বিখ্যাত ভাসমান বাজার হচ্ছে Amphawa floating market, Bang Khu Wiang floating market, Taling Chan floating market, Tha Kha floating market ইত্যাদি।
Read more ...